মৈনট ঘাট: পদ্মা পাড়ে ছোট কক্সবাজার

ঢাকার খুব কাছেই পদ্মা নদীর উত্তাল ঢেউ দেখতে আর নৌকা ভ্রমনে যেতে পারেন নবাবগঞ্জের দোহার উপজেলার মৈনট ঘাটে। এখানে আসলে মুগ্ধ হয়ে তাকিয়ে থাকবেন পদ্মার অপরূপ উত্তাল জলরাশি দেখে। বিস্তীর্ণ জলরাশি আর নদীর বুকে জেলেদের সারি সারি নৌকা দেখলে মনে হবে আপনি কক্সবাজার সমুদ্র সৈকতে আছেন। এ জায়গা এখনো সবার কাছে পরিচিত না হওয়ায় অনেক ভ্রমনপিপাসু মানুষই বঞ্চিত হচ্ছে এই সৌন্দর্য উপভোগ করা থেকে। খুব ভোরবেলা আসলে পাবেন সারারাত জেলেদের ধরা ইলিশসহ বিভিন্ন প্রজাতির মাছের বাজার। চাইলে এখান থেকে সস্তায় মাছ কিনতেও পারবেন। মৈনট ঘাটের সৌন্দর্য উপভোগ করার শ্রেষ্ঠ সময়…

Read More

সাজেক ভ্রমণের টুকিটাকি

সাজেকঃ পাহাড় দেখার শ্রেষ্ঠ সময় বর্ষাকাল। কম-বেশি বৃষ্টি হচ্ছে পাহাড়ে। আর এমন সময়ে সবুজ পাহাড়ে ডানা মেলেছে মেঘ। কচকচে সবুজের বেষ্টনিতে কেবলি বৃষ্টির বড় বড় ফোটা! ভূপৃষ্ঠ থেকে থেকে প্রায় ১ হাজার ৭শ’ ফুট উপরে হওয়ায় এই সময়ও সারাক্ষণ সাজেক ভ্যালিতে চলে মেঘের নাচন। বৃষ্টি শেষ হওয়ার পর রূপ ফুটে বের হয় তার। সাদা মেঘের কুণ্ডলী বিস্তৃত গভীর উপত্যকা থেকে বেয়ে ওঠে। সাদা মেঘে ঢেকে যায় পুরোটা ভ্যালি, এ যেন মেঘের উপত্যকা। ভোরে ঘুম ভাঙার পর পর্দা সরাতেই স্বাগত জানালো মিষ্টি রোদের আলো। চায়ে চুমুক দিতেই একরাশ শুভ্রমেঘ এসে আলতো…

Read More

জিন্দা পার্ক, কমিউনিটি ভিলেজ

ঢাকা থেকে ৩০০ফিট দিয়ে নরসিংদি যাওয়ার পথে অনেক জায়গাই পড়ে, নামা হয় না। একদিন ৩০০ফিট পার হয়ে হাতের বামে (কাঞ্চন ব্রীজের আগে) আরো প্রায় আধাঘন্টা আগানোর পড়ে হাইওয়ের ডানে একটা সানবোর্ডে লেখা “জিন্দা পার্ক, কমিউনিটি ভিলেজ” । . গেলাম ভিতরে, দেখি কি জিন্দা আছে ,না মুর্দা :p । দুই একজনকে জিজ্ঞেস করে জিন্দা পার্কের মূল গেটে গেলাম। পার্কিং ৫০/-, এন্ট্রি ফি ১০০/- বাইরের খাবার নিলে ২৫/- . টিকেট কেটে ঢুকলাম ভিতরে। নামটা জিন্দা হলেও ভিতরটা মনেহয় মুর্দা!! খুবই খুবই নিরিবিলি শান্ত সবুজ শুনশান। ভিতরে দূরে দূরে ঘড়বাড়ী, গরু ছাগল, হাঁস…

Read More